ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ছেড়ে যাওয়ার পরপরই ১৮৮ জন যাত্রী নিয়ে লায়ন এয়ার বোয়িং -৭৩৭ সমুদ্রের মধ্যে বিধ্বস্ত হয়েছে।

প্রকাশ: ২০১৮-১০-২৯ ০৭:১৪:৫৪ || আপডেট: ২০১৮-১০-২৯ ০৯:৫৩:১৩

আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট জে টি ৬১০ বংকা বেলুটুং দ্বীপপুঞ্জের প্রধান শহর পঙ্গকাল পিনংয়ের নির্ধারিত ফ্লাইট ছিল।এটি লে-অফের কয়েক মিনিট পরে গ্রাউন্ড কন্ট্রোলের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে এবং অনুমান করা হচ্ছে বিমানটি পানির নিচে ভূপাতিত হয়েছে। বোয়িং -৭৩৭, ম্যাক্স-৮, একটি নতুন ধরনের বিমান ছিল। অনুসন্ধান ও রেসকিউ সংস্থাটির মুখপাত্র ইউসুফ লতিফ এএফপি নিউজ এজেন্সিকে জানান,এটি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিটার পানির গভীরে ভেসে যায়, বিমানটির ধ্বংসাবশেষের জন্য অনুসন্ধান করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।”

অনুসন্ধানকারী ও রেসকিউ সংস্থা টুইটারে বলেছে, আইডি কার্ড ও ড্রাইভারের লাইসেন্স সহ যাত্রীদের অন্যান্য সরঞ্জামাদি পানিতে পাওয়া গেছে।
তাৎক্ষনিক এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা জানান, বিমানটিতে ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক, এক নবজাতক এবং দুই শিশু, দুজন পাইলট এবং পাঁচজন কেবিন ক্রু ছিলেন। তবে, প্রতিবেদনে সঠিক সংখ্যা নিয়ে রয়েছে সংশয় ।
ফ্লাইট জে টি ৬১০ জাকার্তা থেকে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬:২০টা মিনিটে ছেড়ে আসে ।

পঙ্গকাল পিনং-এর দপ্ততি আমির বিমানবন্দরে বিমানটি পৌছানোর ১ ঘন্টা সময় থাকলেও অবতরনের ১৩ মিনিট আগে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।পঙ্গকাল পিনং এর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিসের প্রধান দানান প্রিয়াডোকোর স্থানীয় সংবাদপত্র কমপাসকে জানান, পাইলট জাকার্তার সোকার্নো-হাট্টা বিমানবন্দরে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন, । ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ সংস্থা, সুতোপো পুরো নুগ্রোহোর প্রধান, ছবিগুলি টুইট করেছেন যা তিনি বিমান থেকে আসা ধ্বংসাবশেষ এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্র দেখিয়েছেন এবং সমুদ্রে ভাসমান পেয়েছেন।

ট্যাগ :